Friday, December 10, 2010

সেদিন বসন্ত

 বসন্তের শুরুতে পড়ন্ত রোদ্দুরে,
সেদিন কোকিলের কুহুরব অনুরণিত হল
দখিনা বাতাসে।
আমি তখনও শীতে কুঁকড়ে ;
মনটাকে তেরচা করে ফেলে রাখতে
              ব্যস্ত ছিলাম...
সামনের ঐ শিউলি ঝরা গাছটার নিচে।


এমনই আরেকদিন
সূর্য ডুবে যাওয়ার পর
        একদিন গোধূলির হিমে কিরকম যেন
উদাসী হয়ে গিয়েছিলাম,
সারাক্ষণ মন খারাপ ছিল।
পাতাঝরা সেই হিমেল সন্ধ্যায়
নেহাতই খেয়ালবশতঃ জানলা খুলে দেখি;
কৃ্ষ্ণচূড়ার আগুন চুঁইয়ে পড়ছে
        কুহু ডাকের স্নিগ্ধ মদিরতায়।

গৌরচন্দ্রিকা

যাক, জীবনে অকাজ-কুকাজ-নাকাজের তালিকাটা আরেকটু লম্বা হল - বহু সাধ এবং কিঞ্চিৎ সাধনার ঠেলায় পড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই "লেখালেখ-e" শুরু করলাম। বস্তুনিষ্ঠরা হয়তো বলবেন - কবিতা-টবিতা লেখা তো অলস আর আঁতেলদের একচেটিয়া। দুঃভাগ্যবশতঃ , এই খোলনলচের মধ্যে এ দুটি (বে)গুণ-ই অল্পমাত্রায় হলেও প্রকট - একেবারে মহাযোগ। তাই শেষ পর্যন্ত - "নাই কাজ তো খই ভাজ" ...

আশাকরি, সকলের সাহচর্য আমার ছন্নছাড়া চিন্তারাশির এই "প্রসব-বেদনা"-য় উপশম এনে দেবে :) :)


ঋণ-স্বীকার (নামকরণ) ঃ দেবমাল্য