বিঃদ্রঃ গতকাল আমার বন্ধুগোষ্ঠীর ছ’জন আনুষ্ঠানিকভাবে “অর্ধ-অর্ধনারীশ্বর” (my translation for “in a relationship”) হয়েছেন। চারদিকে এত “লাভ” দেখে একটা প্রেমের কবিতা লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না J
[একটি ঘেঁটে-যাওয়া প্রেমিকের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা ]
ধর্মতলার মেট্রোতে
সেই যে প্রথম আলাপ ,
ভাবলাম বুঝি শান্ত হল
শূণ্য বাহুর বিলাপ ।
ঠেসাঠেসি গাদাগাদি
জুলাইয়ের ওই গরমে ,
মিষ্টি মুখের দুষ্টু হাসি
মরিলাম মুই মরমে।
কালিঘাটে নামার সময়
ফুলকো গালে blush,
এপাশ-ওপাশ-ধপাশ হয়ে
ঢুকি শেষে গিয়ে class।
বসতে গিয়ে চমকে উঠি
lub-dub যায় শোনা –
যত বড় ঘর নয় এ যে
তার চেয়ে বড় ঘটনা।
আমার সেই পাতালকন্যা
first bench-এ বসে
ছুট্টে গিয়ে পাশটিতে তাই
বসলাম ঠেসেঠুসে।
বাঁকা হেসে বলেন teacher
সন্দিহান চোখে,
“তুমি তো দেখি হার মানাবে
রামের সুমতিকে!!”
সেই যে তুমি pen চাইলে
দিলটা দিলাম আমি –
বকম বকম পায়রাগুলো
ফরসা গালে হামি।
তারপর সেই কত-শত প্রেম
হিসাব রাখিনি কেউ,
single হল relationship
অভিবাদনের ঢেউ।
একটানা কারো সুখের দিনে
bore হন ভগবান –
খেলার ছলে tune করেন
জীবন পাল্টান।
তোমার বায়না ন্যাঁকা লাগে আজ
আমার plan বেকার -
সময়-কাটানো সঙ্গী মোদের
শুধু chinese checker ।
সারারাত যত মোবাইল fight
বিকেল বেলায় দেখা,
দিনের শেষে ঘরে ফিরে দেখি
মানিব্যাগটা ফাঁকা।
ছিলাম আমি বোকা
তাই কি দিলে ছ্যাঁকা ?
তেমন কিছুই হয়নি আমার
লাগছে শুধু একা।
তুমি আমায় ভাঁওতা দিলে
আমি দিলাম আড়ি –
ঠিক করেছি প্রমাণস্বরূপ
কাটবো না আর দাড়ি।
retro look-এর জয়গান খুব
আঁতেল চূড়ামণি ,
গরম মতো নরম মেয়ে
বলছে মোরে “ honey” ।
তোমার আমার অনন্ত প্রেম
শুকিয়ে এখন বাসি,
নতুন আরেক ভালবাসা-গেম
করছে আসি আসি।